09202019শুক্র
শুক্রবার, 19 জানুয়ারী 2018 18:19

অফিসার্স ক্লাব ঢাকা নির্বাচন : বেইলি রোডে ভোটের মহোৎসব

বিশেষ প্রতিনিধি ভোটের উৎসবে মেতেছে বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাব ঢাকা। ঐতিজ্যবাহী এ ক্লাবের ৪হাজার ৭৩১জন ভোটে তাদের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত করবেন। আগামী ২ বছরের জন্য নেতা নির্বাচন করতে যাচ্ছেন তারা। তাদের ভোটে তিনজন ভাইস চেয়ারম্যান, একজন সাধারণ সম্পাদক, একজন কোষাধ্যক্ষ, তিনজন যুগ্ম ও ১৪ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন। এসব পদে ৫৪ প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।এই নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ন সাধারণ সম্পদক পদে ইব্রাহীম হোসেন খান ও মোশাররফ হোসেনরে মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিবসহ অন্য স্তরের কর্মকর্তারাও নির্বাচনে লড়ছেন। গতকাল শুক্রবার বেইল রোডস্থ অফিসার্স ক্লাবে বিকেল তিনটায় দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের পরে সাড়ে ৫টার দিকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এই ভোট গ্রহণ রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তা চলে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফলাফল পাওয়া যায়নি। প্রার্থীদের পক্ষের প্রচারণায় গতকাল দুপুরের পর থেকেই সেখানে ভোটের উৎসব শুরু হয়। পদাধিকার বলে অফিসার্স ক্লাবের চেয়ারম্যানের দায়িত্বপালন করে থাকেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। বর্তমান চেয়ারম্যান হলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। এ কারণে ওই পদটিতে নির্বাচন হচ্ছে না। অফিসার্স ক্লাব ঢাকার ২০১৮-১৯ মেয়াদে নির্বাহী কমিটির নির্বাচনের প্রার্থী তালিকায় ৫৪ জন রয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন-এম. এ . রাজ্জাক. প্রফেসর ডা: মো: মোজাহেরুল ইসলাম, মো: আনছর আলী খান, কে. এম .মোজাম্মেল হক, ডা: মো: আমিনুল ইসলাম, মো: গোলাম মোস্তফা, রওশন আরা জামান ও ড. ফোরকান উদ্দিন আহমেদ। এই ৮ জনের মধ্যে কে এম মোজাম্মেল হক, রওশন আরা জামান ও মো: গোলাম মোস্তফা জয়ী হতে পারেন বলে ভোটারদের ধারণা। সাধারন সম্পাদক পদে তিন জনে লড়ছেন। এম. খালিদ মাহমুদ। প্রশাসনে তিনি বিএনপি-জামাত অনুসারি কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: ইব্রাহীম হোসেন খান। আরেকজন হলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: মোশাররফ হোসেন। এই দুই কর্মকর্তা সরকার সমর্থক। এই পদটিতে সবচেয়ে কঠিন প্রতিদ্বন্ধিতা হবে। যদিও ভোটারগণ এম খালিদ মাহমুদকে জোরালো প্রার্থী হিসেবে দেখছেন না। এই পদটিতে কে জিতবেন তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে মো: ইব্রাহীম হোসেন খানের সমর্খকদের দাবি, যারা উচ্চ আদালতে গিয়ে এ নির্বাচন স্থগিত করতে চেয়ে ছিলেন, তারা তা করতে পারেন নি। একারণে মোশাররফ হোসেনের চেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে ইব্রাহীম হোসেন এগিয়ে আছেন। কোষাধ্যক্ষ পদে ব্যারিষ্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী ও মেজবাহ উদ্দিন। প্রশাসনে ফরুকী বিএনপি ও জামাত ঘরনার কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত হলেও তার জন্য সরকার অনুসারি কর্মকর্তাদের ভোট চাইতে দেখা গেছে। তবে মেজবাহ উদ্দিনের পক্ষেও ব্যাপক প্রচারণা দেখা গেছে। এ পদটিতেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। যুগ্ম সম্পাদক পদে ৫জন কর্মকর্তা প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। এই পদে তিন নির্বাচিত হবেন। তারা হলেন- মকবুল হোসেন পাইক, প্রফেসর ড. ফেরদৌসি খান, খোন্দাকার মোস্তান হোসেন, ড. সৈয়দ ফিরোজ আলমগীর, মো: জাহাঙ্গীর আলম। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জাহাঙ্গীর আলমের সর্বোচ্চ ভোটে জয়ী হবেন এমন টা জানা গেছে। নির্বাহী সদস্য-র ১৪টি পদের বিপরীতে ৩৬ প্রার্থী লড়ছেন। তারা হলেন- ডা: মো: ইমদাদুল হক, এম এ মজিদ, মো: আব্দুল মাননান, অধ্যাপক ডা: মনিলাল আইচ লিটু, আশরাফুন নেসা খান রোজি, মীর মনজুরুর রহমান, মো: মনছুরুল আলম, শেখ মো: শরীফ উদ্দিন, ড. মো: জাকেরুল আবেদীন (আপেল), স্বপন কুমার রায়, সৈয়দ মাহফুজ আহমেদ, মুহম্মদ সাকিব সাদাকাত, এ কে বোরহান উদ্দিন, শ্যামাপদ দে, মো: আখতারুজ্জামান, ড. মো: হারুন অর রশিদ বিশ্বাস, আসমা সিদ্দিকা মিলি, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, আব্দুল মান্নান ইলিয়াস, শাহীন আরা মমতাজ রেখা, মো: আলমগীন হোসেন, মো: শাহাদৎ হোসাইন, স.ম. গোলাম কিবরিয়া, ডা: প্রদ্যুৎ কুমার সাহা, মো: মোতাহার হোসেন, মন্মথ রঞ্জন বাড়ে, জেমিন আক্তার, রথীন্দ্রনাথ দত্ত, মো: মাসুদ করিম, তানিয়া খান, মো: আজাহরুল ইসলাম খান, মো: মমিনুল হক জীবন, মোহাম্মদ শাহজালাল, সৈয়দা সালামা জাফরীন, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ও মৌসুমী হাসান। এদের মধ্যে ড. হারুন অর রশিদ, আসমা সিদ্দিকা মিলি, আবদুল মান্নান ইলিয়াস, গোলাম কিবরিয়া, জেসমিন আক্তার, তানিয়া খান, মৌসুমী আক্তার, মাসুদ করিম, শাহজালাল, সালমা জাফরীন, মৌসুমী হাসান. জাকিরুল আবেদীনের জয়ের সম্ভবনা বেশি বলে ভোটাররা বলছেন।
পড়া হয়েছে 326 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শুক্রবার, 19 জানুয়ারী 2018 21:00