04062020সোম
শিরোনাম:
বৃহস্পতিবার, 18 ডিসেম্বর 2014 23:47

৩৪তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯৮২২

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ৯ হাজার ৮২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। আগামী বছরের ২৬ জানুয়ারি মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ২টার দিকে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে কমিশনের নোটিস বোর্ডেওফল প্রদর্শন করা হয়েছে। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ ক্যাডারে ৫৯২২ জন, সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারে ২০৯৬ ও কারিগরি/ পেশাগত ক্যাডারে ১৭৮০ জন রয়েছেন। ৩৪তম বিসিএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজার ৫২টি পদে নিয়োগ দেয়ার কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছারউদ্দিন জানান, কমিশনের (িি.িনঢ়ংপ.মড়া.নফ) ওয়েবসাইটে লিখিত পরীক্ষার ফল পাওয়া যাবে। মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২৬ জানুয়ারি। এছাড়া টেলিটক মোবাইল থেকে ইঈঝ লিখে স্পেস দিয়ে ৩৪ লিখে স্পেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠালে ফল জানা যাবে বলে জানান তিনি।

দুই হাজার ৫২টি পদে নিয়োগে ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ৩৪তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে পিএসসি। ওই বছরের ২৪ মে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১ লাখ ৯৬ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেন। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল ৮ জুলাই প্রকাশ করা হয়। এতে ১২ হাজার ৩৩ জন উত্তীর্ণ হন। এ পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো প্রিলিমিনারিতে কোটাপদ্ধতি চালু করায় অনেক মেধাবী বঞ্চিত হন। অপেক্ষাকৃত কম নম্বর পেয়ে আদিবাসী ও মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অনেকেই উত্তীর্ণ হন। এ নিয়ে সারা দেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়লে ১০ জুলাই ফল পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয় পিএসসি। এরপর ১৪ জুলাই প্রচলিত পদ্ধতিতে সংশোধিত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ৪৬ হাজার ২৫০ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। আগের উত্তীর্ণ সবাইকে রেখেই পুনর্মূল্যায়িত ফল দেয়া হয়েছে বলে পিএসসি দাবি করলেও প্রথমবার উত্তীর্ণদের মধ্যে ২৮১ জন আদিবাসী বাদ পড়েন। এ নিয়ে ‘বঞ্চিত’ আদিবাসীরা পিএসসি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে লিখিত আবেদন করেন। বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করেন তারা।

এরপরেও তাদের উর্ত্তীণের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় আগের ফলে উত্তীর্ণ ৫৯ জন আবেদনকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া গত বছরের ২৮ জুলাই হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাই কোর্ট বেঞ্চ গতবছর ৩১ জুলাই এক আদেশে প্রথম ফলে উত্তীর্ণ ৫৯ রিটকারীসহ ২৮১ জনকে বাদ দিয়ে প্রকাশিত ফল কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চায়। এছাড়া পুনর্মূল্যায়িত ফলে আদিবাসী কোটায় আবেদনকারীদের বাদ দেয়ার কারণও জানতে চায় হাই কোর্ট। পরে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী আদিবাসী কোটার প্রার্থীরাও লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পান। এত বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষা নেয়া নিয়ে সংকটে পড়ে পিএসসি। চলতি বছরের মার্চে লিখিত পরীক্ষা হয়।

পড়া হয়েছে 795 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: শুক্রবার, 19 ডিসেম্বর 2014 00:09

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা