04062020সোম
শিরোনাম:
সোমবার, 01 ডিসেম্বর 2014 23:45

এনজিও আইনের খসড়া অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
 
এনজিও আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। এছাড়া ২০১৫ সালের জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়ায় সম্মতি দেয়া হয়। দুটো খসড়ায় মধ্য রয়েছে- বিদেশি অনুদান স্বেচ্ছাসেবী কর্মকান্ড পরিচালনা আইন-২০১৪ ও সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের (লিভ, পেনশন ও প্রিভিলেজেস) অধ্যাদেশ (সংশোধনী) ২০১৪।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম মোশাররফ হোসাইন ভূইঞা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে বলেন, বিদেশি অনুদান প্রহণকারী বেসরকারি সংস্থাগুলোর (এনজিও) কর্মকান্ড পরিচালনায় বিদেশী অনুদান (সেবাসেবী কর্মকান্ড) আইন ২০১৪-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। এটি হবে বেসরকারি সংস্থাগুলোর কর্মকান্ড পরিচালনা ও সহায়তার জন্য যুগোপযোগী ও সার্বিক আইন। সামরিক শাসনামলে ১৯৭৮ সালের বিদেশি অনুদান সেবামূলক কর্মকান্ড অধ্যাদেশ ও ১৯৮২ সালের বিদেশী অনুদান অধ্যাদেশ দুটি একীভূত করে ২০১৪ সালের প্রস্তাবিত আইনের এই খসড়া প্রণয়ন করা হয়।

সচিব বলেন, খসড়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, বেসরকারি সংস্থা ও সুশীল সমাজের সদস্যদের মতামত ও সুপারিশ উপযোজন করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, এনজিও ব্যুরো থেকে নিবন্ধনের আগে কোনো বেসরকারি সংস্থা কর্মকান্ড পরিচালনা করতে পারবে না। কোনো এনজিও’র নিবন্ধনের আবেদনে তহবিলের উৎস ও তা ব্যয়ের খাত সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। নিবন্ধের মেয়াদ হবে ১০ বছর। তবে সরকার এ আইনের যে কোনরকম লংঘনের জন্য নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে।

এনজিও ব্যুরোর অনুমোদন ব্যতীত কোনো এনজিও কোন প্রকার প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে পারবে না। এ সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা ছাড়পত্র সাপেক্ষে বিদেশী পরামর্শ (কানসালটেন্ট) নিয়োগ দিতে হবে।
অনুমোদিত প্রস্তাবে আরো বলা হয়েছে, এনজিওগুলোকে যথাযথ হিসাব সংরক্ষণ এবং একটি ব্যাংকের একক হিসাবে বিদেশি অনুদানের অর্থ জমা করতে হবে এবং পরবর্তীতে এ অর্থ প্রকল্পের হিসাবে স্থানান্তর করা যাবে। হিসাব বিবরণী এনজিও ব্যুরোতে জমা দিতে হবে এবং ব্যুরোর এনজিওগুলোর কর্মকান্ড পরিদর্শন, পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের ক্ষমতা থাকবে। এ ছাড়া এতে প্রত্যেক এনজিও’র জন্য বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেয়ার বিধান রয়েছে।

এ আইনের যে কোনো ধরনের লংঘন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং অপরাধের ধরনের ভিত্তিতে শাস্তি নির্ধারিত হবে। শাস্তির মধ্যে রয়েছে সতর্কতা, নিবন্ধন বাতিল ও আর্থিক জরিমানা। তবে এতে সন্ত্রাসে অর্থায়ন, নারী ও শিশু পাচার এবং মাদক চোরাচালানের মতো ফৌজদারী ধারার অপরাধের ক্ষেত্রে দেশে প্রচলিত ফৌজদারী আইনে ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে।

বৈঠকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের লিভ, পেনশন ও প্রিভিলেজেস অধ্যাদেশ (সংশোধন) আইন-২০১৪’র প্রস্তাবে বিচারপতিদের পেনশনের বাধ্যতামূলক সমার্পণের ক্ষেত্রে আনুতোষিকের হার বাড়ানো হয়েছে। এক্ষেত্রে আনুতোষিক হিসেবে প্রত্যেক অবসরগ্রহণকারী বিচারক ৪০ থেকে ৪৫ বছর পর্যন্ত প্রতি টাকার জন্য ২৬০ টাকা, ৪৫ থেকে ৫০ পর্যন্ত ২৪৫ টাকা ও ৫০-এর অধিক বয়সের জন্য ২৩০ টাকা পাবেন। ২০১৩ সালের ডিসেম্বর থেকে এ আইন কার্যকর হবে।
 

পড়া হয়েছে 817 বার। সর্বশেষ সম্পাদন করা হয়েছে: সোমবার, 01 ডিসেম্বর 2014 23:48

এ বিভাগের সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুক-এ আমরা